ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি উন্নয়ন সূচকে এগিয়ে রাখবে বাংলাদেশকে
ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তিমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমেই উন্নয়ন সূচকে শক্ত অবস্থান তৈরিতে ভূমিকা রেখেছে বাংলাদেশ। এর ফলেই এইচএসবিসি গ্লোবাল সার্ভে রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০৩০ সালে বিশ্ব অর্থনৈতিক র্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের অবস্থান হবে ২৬ তম।
অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ননীতি কৌশল ও ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি বিষয়ক এই নিবন্ধে এমনটাই জানিয়েছেন তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।
তিনি মনে করেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের নীতি কৌশলের কারণে অনেক আগেই ৬ শতাংশ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের বৃত্ত থেকে বেরিয়ে এসেছে। বর্তমানে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার ৮ শতাংশের উপরে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, সরকারি তথ্য ও সেবা ইন্টারঅপারেবল (আন্ত:পরিবাহী) করার জন্য বাংলাদেশ ন্যাশনাল ডিজিটাল আর্কিটেকচার (বিএনডিএ) প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।স্মার্ট কার্ড, ইউনিক আইডি’র বায়োমেট্রিক ডাটা বেইজ সেবা প্রদানকে সহজ করেছে। সরকার ইতোমধ্যে ১০ কোটি ডিজিটাল আইডি প্রদান করেছে।
জুনাইদ আহমেদ পলক মনে করেন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার করে ব্যাপকভিত্তিক ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি কার্যক্রম ২০৩০ সালের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জন এবং রূপকল্প ২০৪১ -এ উন্নত দেশে পরিণত হওয়ার পথকে মসৃণ করবে।